বেদ যজ্ঞ
সম্মেলনঃ—০৯/ ১১/ ২০১৬ স্থানঃ—ঘোরশালা* মুর্শিদাবাদ* পঃ বঃ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[ বেদ যজ্ঞ করে তোমরা নিজেদের
স্বভাবের পরিবর্তন ঘটাও দেখবে দেশের পরিবর্তন স্বাভাবিক নিয়মে হয়ে যাবে এবং সেই
উন্নতির সুফল সকলেই ভোগ করবে।]
বেদ যজ্ঞ
করে নিজেদের স্বভাবের পরিবর্তন ঘটাও। তোমরা নিজ নিজ অধিকার মতো দেশের জন্য সমাজের
বুকে কর্তব্য কর্ম করে যাও। নিজ নিজ যোগ্যতা ও গুণ অনুসারে সর্বদায় দেশের মঙ্গলের
জন্য কর্মে লিপ্ত থাকো ও গুণের প্রকাশ বিকাশ ঘটাও। গুণের প্রকাশ –বিকাশ ঘটিয়ে
অর্থ- সম্পদ উপার্জন কর ও তা সৎ পথে ব্যয় কর। দেখবে তুমি যত ব্যয় করবে তার দ্বিগুণ
অর্থ- সম্পদ তোমার হাতে চলে আসবে স্বাভাবিক নিয়মে। সৎ পথ হচ্ছে ঈশ্বরের পথ—সেই পথে
অর্থ উপার্জন করতে শেখো ও ব্যয় করতে শেখো, তাহলেই অভাব মুক্ত শান্তির জীবন পাবে।
ঈশ্বর যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেন। তোমরাও তোমাদের
প্রতিশ্রুতি পালন কর, তবে তোমাদের সংসারে কোন অভাব থাকবে না। ঈশ্বর সৎকর্মশীল
মানুষকে সর্বদিক থেকে সাহায্য করেন ও তাদের অর্থ- সম্পদ অপচয় হতে দেন না। তাদের
নিকট থেকে অর্থ – সম্পদ কেড়ে নেন না। যারা পার্থিব জগতের অর্থ –সম্পদকে তুচ্ছ মনে
করে ঈশ্বরের জ্ঞানের জগতে বিচরণ করে, তারা অপরকে জ্ঞানের জগতে নিয়ে আসার জন্য অর্থ
সম্পদ ঈশ্বরের পথে ব্যয় করে। তাই বেদযজ্ঞকারীদের ধনদৌলত প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পায়,
ঈশ্বরের জ্ঞান- বুদ্ধি ও শক্তিবলে। বেদ যজ্ঞের সুফল কেবল ভারতবাসীই পাবে না, একদিন
সারা বিশ্ববাসী বেদ যজ্ঞের সুফল ভোগ করবে। জয় ভারত মাতার জয়।


