বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ—০৮/ ১০/ ২০১৬ স্থানঃ---
ঘোড়শালা* মুর্শিদাবাদ* পঃ বঃ
আজকের আলোচ্য বিষয়ঃ—[বেদ যজ্ঞের মাধ্যমে মনকে সংযত করে মহাদেবী মা
দুর্গাকে বার বার প্রণাম করবে, তাহলেই আর ধর্ম সংকটে পড়বে না।]
মানুষ বেদযজ্ঞে অংশ গ্রহণ করে মহাভয়-
মহাদুর্গতি- মহাসংকটের কবল থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সাধনা করে না। মার্কণ্ডের ঋষি
যখন তত্ত্বজ্ঞান হারিয়ে ধর্মসংকটে পড়েন তখনি তিনি মা মহামায়ার আশ্রয় গ্রহণ করেন।
তিনি নানাভাবে দুর্গতিনাশিনী পারকর্ত্রী মা দুর্গার আরাধনা শুরু করেন। তিনি
তাপাপহরিণী ভোগ ও মোক্ষপ্রদায়িণী অনন্ত শুদ্ধ বিজয়িনী মঙ্গলদাত্রী অচলা শরণীয়া
দেবীরূপে তাঁর সামনে প্রকটিত হন। তিনি তখন মহাভয়বিনাশিনী মহাদুর্গতি প্রশমনী
মহাকারুণ্যরূপিনী মা দুর্গাকে নানাভাবে প্রণাম করতে থাকেন। দেবী মা দুর্গা তখন
প্রসন্নচিত্তে আকাশতত্ত্বের অব্যয় বীজ তাঁকে দান করেন এবং ধর্মসংকট থেকে মুক্ত করেন।
আজ মহাসপ্তমী যার উপরে আর কিছু নেই, সেই মা দুর্গা আমাদের ঘরে এসেছেন, অতি আপনজন
হয়ে---- মাকে জানাই প্রণাম – মাগো তুমি এই অবোধ সন্তানের সব অপরাধ ক্ষমা করো—আমি
বেদ যজ্ঞের কিছুই জানি না--- তুমি জীবচিত্তে চিন্ময়াতীতা পরমাত্মারূপিনী—তুমি আদিমাতা-
আদি মন্ত্রস্বরূপা ওঁকাররূপিনী, জ্ঞানরূপিনী কিভাবে এই অধম সন্তান তোমাকে জানবে?
মাগো তুমি ক্ষমাধাত্রী হয়ে সবায়কে ক্ষমা করে তোমার আনন্দনিকেতনে ধারণ করো। জয় মা দুর্গা।



