বেদ যজ্ঞ সম্মেলনঃ—২৩/
০৫/ ২০১৬
আজকের আলোচ্য
বিষয়ঃ—[ বেদ যজ্ঞ করেই শিক্ষকদের পুনঃ গুরুর আসন অলংকৃত করতে হবে।]
শিক্ষকদের পুনঃ বেদ যজ্ঞ করেই ছাত্র- ছাত্রীদের
অন্তরে জাতীয় জ্ঞান- মানবিক মুল্যবোধের জ্ঞান- নৈতিক জ্ঞান ও আত্মিক জ্ঞানের আলো
জ্বালাবার দায়িত্ব নিতে হবে, তাদেরকে সুনাগরিক রূপে গড়ে তোলার জন্য। ছাত্র –ছাত্রীরা
এই জ্ঞান নিয়ে জন্ম গ্রহণ করলেও প্রকৃত প্রশিক্ষণের অভাবে তা জীবনে প্রয়োগ করতে
সক্ষম হচ্ছে না। তারা জীবনের সত্যকে জানতে পারছে না সত্যগুরুর সান্নিধ্য না পাবার
কারণে। ফলস্বরূপ মিথ্যার উপর ভর করে চলতে গিয়ে জীবনটাকে মিথ্যার বাসা করে অন্যান্য
জীব জন্তুর ন্যায় দুর্বল ও প্রবৃত্তির শিকার হয়ে পড়ছে। এই দুর্বল মানুষ গড়ার কাজে
শিক্ষকের নিয়োজিত করে দেশের কি লাভ হচ্ছে তা চিন্তা করার সময় এসেছে সর্ব শ্রেণির
মানুষের জন্য। কেবল অর্থকরী শিক্ষার দ্বারা মানুষ জীবনে শান্তি লাভ করতে পারে না।
দেখা যাচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষা না পেয়েও মানুষ বিভিন্ন পথে কোটি কোটি টাকার মালিক
হয়ে যাচ্ছে- অথচ শিক্ষার সর্ব উচ্চ ডিগ্রি লাভ করেও একজন মানুষ সামান্য আয় টুকু
করতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। তাহলে কিলাভ হচ্ছে লাখ লাখ টাকা খরচ করে এই ডিগ্রি নিয়ে
? ভারতবাসীর পরিশ্রমের অর্থে যদি মানুষ ভারত
হয়ে না উঠে তাহলে সব বৃথা – তারা তো স্বার্থপর হয়ে দেশপ্রেমিক হয়ে উঠবে না বরঞ্চ
দেশ বিরোধী কাজে লিপ্ত হয়ে দেশকে ধ্বংস করে দিবে নিজ প্রবৃত্তির দাস হয়ে। তাই এখানে বলতেই
হয়------------------------------------------- শিক্ষক করিবে গবেষণা
ছাত্রের মন প্রাণ লইয়া
ছাত্র তাহার ধ্যান জ্ঞান
ছাত্র তাহার হিয়া।
ছাত্রের জীবন তাহার গবেষণার
বিষয়
তাহার কোথায় অভাব দেখিবেন
শিক্ষক মহাশয়।
অভাব পূরণ করা কেবল
শিক্ষকের কাজ
অভাব পূরণ হইলেই ছাত্র
গড়িবে তাহার সমাজ।
পড়া করো, বই পড়ো পরীক্ষায়
ভালো ফল করো
এই কথা বলা কভু নাহি সাজে
শিক্ষকের আর।
মানুষ হইতে হইবে করিয়া কঠিন
পন
সৎ পথে চলিয়া কর সত্যের
অন্বেষণ।
জগতে সত্য কি তাহা জানো
জ্ঞান যোগে
শিক্ষক করিবেন সাহায্য যোগ
ধ্যান পূরণ বিয়োগে।
বই পড়ে পরীক্ষা দিয়ে ভাল ফল
করে
মানুষ না হইলে তাহা যায় যে
বিফলে।
মানুষের মন লইয়া গবেষণা
করিয়া
শিক্ষক গড়িবেন সমাজ মানুষের
লাগিয়া।
জ্ঞানী সুদৃঢ় মানব সমাজ
গড়িয়া উঠিলে
শিক্ষক বসিবেন পুনঃ সমাজে
গুরুর আসনে। জয় বেদ যজ্ঞের জয়।




