[বেদ যজ্ঞ করে নিজের অন্তরের ঈশ্বরকে জাগ্রত করে বড়ত্বের দিকে এগিয়ে যাও।]
যারা সদায় বেদ যজ্ঞ করে হৃদয়ে নিজের ঈশ্বরকে
জাগ্রত করে রেখে কেবল তাঁর সেবা করে যায়- তারাই কর্মযোগী – জ্ঞানযোগী- ভক্তিযোগী
হয়ে রাজযোগে অবস্থান করে অভাবমুক্ত অবস্থায়। তারা কোন লোক দেখানো পূজা –অর্চনা করে
না। তারা সর্বদায় তাঁর ঘরে বসে তাঁর নির্দেশ মতো কর্তব্য কর্ম বা বেদ যজ্ঞ করে চলে—তাতে
দেহ থাক আর না থাক। তাদের কাজ করার জন্য দেহের কোন প্রয়োজন হয় না।
যত ত্যাগ স্বীকার করবে- তত তুমি বড়ত্বের
দিকে এগিয়ে যাবে। ত্যাগ স্বীকার করার মতো আনন্দ দেখবে কোথাও পাবে না। ধীরে ধীরে
ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে-ই তুমি সকলের নিকট মহান হয়ে উঠবে। ত্যাগী হও – ভোগী হইও
না। ভোগে দুঃখ –ত্যাগে আনন্দ তাই ত্যাগের মধ্য দিয়ে ভোগ করতে শিখো।
যে
কোন একটা সত্য পথ বেছে নাও। ছন্নছাড়া জীবন-যাপন করতে যাবে না। পৃথিবী থেকে যখন চলে
যেতেই হবে তখন এই পার্থিব জীবনটাকে নিয়ে টানা হিঁচড়ে কেন? জীবনটাকে বেদ যজ্ঞে
উৎসর্গ করে বা আহুতি দিয়ে দাও তোমার
ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করার জন্য--- দেখবে সব ঝামেলা সেখানেই মিটে যাবে—আর কোন ভূত –প্রেত-
শয়তান তোমার ঘাড়ে চেপে জ্বালাতন করতে পারবে না। ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি।



