[ বেদ যজ্ঞ করে জেনে নাও তুমি যেভাবে নিজের ভাগ্য গড়তে চাও তুমি সেভাবেই
গড়ে উঠবে।]
যে শুয়ে থাকে তার ভাগ্যও শুয়ে থাকে। মানুষ
পৃথিবী মায়ের কোলে এসছে তার পূর্ণ সৌভাগ্যকে সাথে করে। এখন সে যদি তার এই পরিপূর্ণ
ভাগ্যকে সাথে নিয়ে শুয়ে –বসে জীবনটাকে কাটিয়ে দেয় তবে সে তার স্বাদই গ্রহণ করতে
পারবে না। মাতৃ গর্ভে দেহ গঠনের সাথে সাথে পূর্ণ ব্রহ্ম শক্তি রূপে ভাগ্য মানবদেহে
আশ্রয় গ্রহণ করে। এ হচ্ছে এক জ্যোতির্ময় চেতনা শক্তি। এই শক্তি প্রত্যেক জীব দেহে
সুপ্ত অবস্থায় অধিষ্ঠান করে। তবে মানুষ ছাড়া অন্যান্য জীব এই শক্তির হাতের পুতুল
হয়ে থাকে। কিন্তু মানুষ নিজের ইচ্ছাশক্তি- কর্মশক্তি ও জ্ঞানশক্তির দ্বারা এর
জাগরণ ঘটাতে সক্ষম। ভাগ্য হচ্ছে এক মৌলিক শক্তি। একা এর কোন শক্তি বা মুল্য
প্রকাশিত হতে পারে না। যতই শক্তিশালী ভাগ্য নিয়ে মানুষ মাতৃগর্ভ থেকে পৃথিবীর বুকে
জন্ম গ্রহণ করুক না কেন, যতক্ষণ না আর একটি বাইরের শক্তি তার সঙ্গে মিলিত হচ্ছে,
ততক্ষণ সে নিজেকে প্রকাশ করতে সক্ষম নয়। তাই ভাগ্যকে ঘিরে দশটি গ্রহ ও সাতাশটি
নক্ষত্র সর্বদা চঞ্চল মুখর হয়ে অবস্থান করে মানবদেহে ও মানুষকে এই মুহূর্ত
শান্তিতে বসে থাকতে দেয় না—সর্বদায় কোন না কোন কর্মের চিন্তায় লিপ্ত রেখে তাকে
ছুটিয়ে নিয়ে বেড়াই গড়ে তোলার জন্যে। ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।



