[বেদ যজ্ঞ করে তোমার অন্তরের ঈশ্বর কি বলে জাগ্রত হতে চাইছেন তা জেনে
জাগ্রত হও।]
তোমার অন্তরের ঈশ্বর সদায় তোমাকে উদ্দেশ্য
করে বলছেন--- আমি সর্বভূতের হৃদয়ে আত্মারূপে অধিষ্ঠান করছি। আমি-ই আদি-মধ্য-অন্ত।
আমি-ই ব্রহ্মা, আমি-ই বিষ্ণু, আমি-ই মহেশ্বর। আমি সূর্য – আমি চন্দ্র- আমি মরীচি-
আমি মহাসপ্তর্ষি। আমি বেদ- আমি কৃষ্ণ- আমি মন- আমি সকলের অগ্নি- আমি বায়ু- আমি জল-
আমি-ই পর্বত। আমি বৃহস্পতি- আমি সাগর- আমি সেনাপতি- আমি যজ্ঞ- আমি ভৃগু- আমি-ই
ওঁকার।
আমি বৃক্ষ- আমি নারদ- আমি চিত্ররথ- আমি-ই
কপিল। আমি উচ্চেশ্রবা- আমি ঐরাবত – আমিই নরপতি। আমি বেদ যজ্ঞ- আমি বজ্র – আমি
কামধেনু—আমি কাম-রতি, আমি বাসুকি- আমি অনন্তনাগ- আমি বরুণ – আমি যম- আমি প্রহ্লাদ –আমি
সিংহ- আমি গরুড় – আমি-ই ব্যাসদেব।
আমি অধ্যাত্মবিদ্যা- আমি তর্কবিদ্যা – আমি জ্ঞান- আমি ভক্তি- আমি শক্তি-
আমি বিদ্যা- আমি বুদ্ধি। আমি জন্ম- আমি মৃত্যু—আমি কীর্তি – আমি শ্রী- আমি ধী- আমি
বাক – আমি স্মৃতি- আমি মেধা- আমি ধৃতি- আমিই ক্ষমা। আমিই বারমাস—আমিই ছয় ঋতু – আমি
তেজ- আমি জয়- আমি উদ্যম- আমি দণ্ড – আমিই সবার ইচ্ছা শক্তি- ক্রিয়া শক্তি—আমি-ই
জ্ঞান শক্তি—আমি ব্রহ্মাণ্ড জুড়ে অখণ্ড প্রাণ। আমি-ই সবার আশ্রয়স্থল—আমাকেই জেনে
তুমি জেগে উঠো পূর্ণ ব্রহ্মময় শক্তি নিয়ে এই সংগ্রাম মঞ্চে। ওঁ শান্তি শান্তি
শান্তি।


